ছাত্র অবস্থায় একজন ইঞ্জিনিয়ারের স্বাভাবিকভাবেই কোন ধারণা থাকে না
কোন ধরণের চাকরী তার জন্য ভাল হবে । তাছাড়া চাকরীর নিয়োগকর্তা চাকরী প্রত্যাশীর
মাঝে যে গুণ গুলো খোঁজেন সেগুলো শুধু ইউনিভার্সিটির শিক্ষা জীবন দিতে পারে না ।
তাই শিল্পে প্রবেশ তথা কাজের প্রকৃতি জানার জন্য ইন্টার্নশীপ প্রোগ্রাম খুবই
গুরুত্বপুর্ন । যারা ইন্টার্নি করা নিয়ে ভাবছেন তাদের জন্য এই
ভিডিও টি ।
টেক্সটাইল শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টেক্সটাইল শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার : বাংলাদেশী Vs ফরেইন

দেশে 60 হাজার বিদেশি ইঞ্জিনিয়ার
টেক্সটাইল সেক্টর এ জব করে।
এক্সাম নাইট স্টুডেন্ট না হয়ে যদি আমরা বেসিক লাভার
স্টুডেন্ট হইতাম তাহলে হয়ত এই 60 হাজার এর মাঝে 40 হাজার অন্তত দেশী হইত ।
আমাদের যে সকল দেশের টেক্সটাইল টেকনোলজিস্ট দের সাথে
প্রতিযোগিতা করতে হয় তারা হলো ভিয়েতনাম, ইন্ডিয়ান, পাকিস্থানী, শ্রীলংকান, চাইনীজ, জার্মান, ইতালীয়
।
টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির "পিঁপড়া বিদ্যা"(Ant Run of Textile Industry)
এক দেশে ছিলো এক পিপড়া।
সে প্রতিদিন ঠিক নয়টার দিক অফিসে ঢুকতো। তারপর সহকর্মীদের সঙ্গে গল্পগুজবে একটুও
সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।
সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।
সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।
ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।
পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং কিছু কথা (Pabna Textile Engineering College & Some Discussion)
বাংলাদেশ তথা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের
মধ্যে টেক্সটাইল শিক্ষার জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পাবনা
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ । দীর্ঘ একশ বছরের আয়ুতে এই প্রতিষ্ঠান বহু শিক্ষানবিশের জ্ঞানের
চাহিদা পুরন করে আসছে । ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ ভারতে পাবনা সরকারি উইভিং বা বুনন স্কুল
নামে সে যাত্রার সূচনা হয়েছিল । ১৯২৬ সালে বাংলার তৎকালীন ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড
কার্মাইক্যাল প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন এবং
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


