বলা হয়ে থাকে
বস্ত্র প্রকৌশলীদের সামাজিকতার বড়ই অভাব ! সামাজিকতার ধারে কাছে না ঘেঁষে তারা
কারখানার ম্যাশিনের আশেপাশে থাকতেই নাকি বেশি ভালবাসেন। অনেকেই বলে থাকেন ফেব্রিকের কোয়ালিটি ঠিক রেখে ডায়িং এর শেড মেলাতে মেলাতে নিজের
জীবনের রং যে কখন ফ্যাকাশে হয়ে যায় তা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়াররা খেয়ালই করেন না। আর কস্টিং-কন্সাম্পশনের হিসাব করে সঠিক সময়ে শিপমেন্ট করতে গিয়ে অনেকেই নাকি নিজের জীবনের হিসাবে তালগোল পকিয়ে ফেলেন। কিন্তু প্রত্যেক বস্ত্র প্রকৌশলীর সফলতার মূলসূত্রই হল এই সামাজিকতা, আরও পরিষ্কার
করে বললে পেশাগত যোগাযোগ। কারিগরী দক্ষতার সাথে পেশাগত জীবনে যার যোগাযোগ
যত বেশি তার সফলতার সম্ভাবনাও তত বেশি ।
টেক্সটাইল খাতে চাকরী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টেক্সটাইল খাতে চাকরী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টেক্সটাইল উদ্যোক্তা হওয়ার উপায়(Way To Be A Textile Entrepreneur)
ইদানীং টেক্সটাইল গ্রাজুয়েশন করা ছাত্রদের মুখে একটা কথা খুব শোনা যায় , লেখাপড়া শেষ করে চাকরী করব না, ছোট হলেও নিজের ব্যাবসা শুরু করব ।
অবশ্যই এই ভাবনা সাধুবাদ পাওয়ার দাবী রাখে । কিন্তু তারা হয়ত জানে না অধিকাংশ ছোট
ব্যবসা কোম্পানি ব্যার্থ হয় শুধুমাত্র অভিজ্ঞতা ঘাটতির কারনে । তাই নিজের ব্যাবসা
শুরু করার আগে যতটা সম্ভব অভিজ্ঞতা নেয়াটা অবশ্য জরুরী । বড় এবং সফল ছোট দুই
কোম্পানিতে কাজ করে বুঝতে হবে তারা কিভাবে ব্যবসা চালাচ্ছে । অনেকের ধারণা অন্যের
কাজ করার চেয়ে নিজের কাজ করার মাঝে বেশি আনন্দ। আসলে স্ব-শৃঙ্খল মানুষের জন্য
নিজের কাজ করাই বেশি কঠিন ।
টেক্সটাইল ফ্যাক্টরিতে ইন্টার্ন করার নিয়োম কানুন ও পরামর্শ (Tips for Doing Intern In Textile Factory)
ছাত্র অবস্থায় একজন ইঞ্জিনিয়ারের স্বাভাবিকভাবেই কোন ধারণা থাকে না
কোন ধরণের চাকরী তার জন্য ভাল হবে । তাছাড়া চাকরীর নিয়োগকর্তা চাকরী প্রত্যাশীর
মাঝে যে গুণ গুলো খোঁজেন সেগুলো শুধু ইউনিভার্সিটির শিক্ষা জীবন দিতে পারে না ।
তাই শিল্পে প্রবেশ তথা কাজের প্রকৃতি জানার জন্য ইন্টার্নশীপ প্রোগ্রাম খুবই
গুরুত্বপুর্ন । যারা ইন্টার্নি করা নিয়ে ভাবছেন তাদের জন্য এই
ভিডিও টি ।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার : বাংলাদেশী Vs ফরেইন

দেশে 60 হাজার বিদেশি ইঞ্জিনিয়ার
টেক্সটাইল সেক্টর এ জব করে।
এক্সাম নাইট স্টুডেন্ট না হয়ে যদি আমরা বেসিক লাভার
স্টুডেন্ট হইতাম তাহলে হয়ত এই 60 হাজার এর মাঝে 40 হাজার অন্তত দেশী হইত ।
আমাদের যে সকল দেশের টেক্সটাইল টেকনোলজিস্ট দের সাথে
প্রতিযোগিতা করতে হয় তারা হলো ভিয়েতনাম, ইন্ডিয়ান, পাকিস্থানী, শ্রীলংকান, চাইনীজ, জার্মান, ইতালীয়
।
টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির "পিঁপড়া বিদ্যা"(Ant Run of Textile Industry)
এক দেশে ছিলো এক পিপড়া।
সে প্রতিদিন ঠিক নয়টার দিক অফিসে ঢুকতো। তারপর সহকর্মীদের সঙ্গে গল্পগুজবে একটুও
সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।
সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।
সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।
ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের হতাশার নাম “জব এগ্রিমেন্ট পলিসি” (An Unhealthy Agreement Policy for Textile Engineers)
রপ্তানির দিক দিয়ে বাংলাদেশের
তৈরি পোশাক শিল্পে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। পুরো বাংলাদেশে প্রায় চল্লিশ
হাজারের মত গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি রয়েছে যেগুলো এদেশের ৩৫ থেকে ৪০ লাখ মানুষের কর্মক্ষেত্র । ২০১৪ সালে এ
খাতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ১ লক্ষ ৮৪ হাজার কোটি টাকা । বর্তমান গতিতে প্রবৃদ্ধি বজায় থাকলে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে এ রপ্তানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩
লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা । এতএব টেক্সটাইল
ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে চলবে ।
ওয়াশিং প্ল্যান্ট এবং একটি সম্ভাবনাময় চাকরীর ক্ষেত্র(Washing Plant & A Prosperous Career in Job Level )
টেক্সটাইল
ইঞ্জিনিয়ারিং
পেশা
অনেক গুলো পর্যায়ে বিভক্ত, যার মধ্যে রয়েছে স্পিনিং টেকনোলজি,ফেব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং টেকনোলজি,এপারেল ম্যানুফ্যাকচারিং টেকনোলজি,ওয়েট প্রোসেসিং টেকনোলজি
,এক্সিকিউটিভ
মার্কেটিং,রিসার্স এন্ড ডেভেলাপমেন্ট, টেক্সটাইল ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।
প্রত্যেকটি
ভাগই অনেক সম্ভাবনার
এবং গুরুত্বপূর্ণ । তবে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির নির্দিষ্ট কিছু সেকশন বা পোস্ট রয়েছে যেখানে কাজ করা কারো পেশাগত সাফল্যের হার অন্যদের থেকে তুলনামূলক বেশি । গার্মেন্টস ওয়াশিং তেমনি একটি সেকশন ।এখানে কাজ করে খুব দ্রুত উচ্চ
পর্যায়ে পৌঁছানো
সম্ভব।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)






