সাধারণ পোশাক তৈরি করতে প্রথমে ফাইবারকে ইয়ার্নে এবং ইয়ার্নকে চলমান পদ্ধতিতে দ্বি-মাতৃক গঠন কাঠামোতে নিয়ে গিয়ে ফেব্রিকে রূপান্তর করা হয় । কিন্তু নন-ওভেন ফেব্রিক এর ব্যাতিক্রম, নন-ওভেন তৈরি হয় ওয়েব ফর্মেশন এবং বন্ডিং(বন্ধন তৈরির মাধ্যমে) । এই কাপড়ের গঠন ও বৈশিষ্ট প্রধানত নির্ভর ওয়েব ফর্মেশনের ধরনের ওপর, যেটি শুকনো ,ভেজা ও পলিমারের প্রলেপ দেয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
গত কয়েক দশকে চিরাচরিত নিয়ম
থেকে ভিন্নরকমে তৈরি হওয়া কাপড়ের ব্যাবহার বেড়েছে । নন-ওভেন ফেব্রিকের সিংহভাগ ব্যাবহার হয় এক বার বা অল্প সময়
ব্যাবহার করা হয় এমন পোশাকে এবং ব্যাক্তি স্বাস্থ সুরক্ষায় ও পরিস্কার
পরিচ্ছন্নতার কাজে । নন-ওভেন ফেব্রিকের
প্রয়োগ ও ব্যাবহার বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে তূলা ব্যাবহার করে নন-ওভেন কাপড় তৈরি করার
চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে । কেননা তূলা এমন
একটি ফেব্রিক যার আদ্রতা শক্তি অনেক ভাল এবং দ্রুততার সাথে শুঁকিয়েও যেতে সক্ষম
এবং নরম । ব্লিচিং প্রক্রিয়া তুলার আদ্রতা
শুষে নেয়ার ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করে ।
এছাড়া তূলা ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা পচনশীল হওয়ায় ,
ব্যাবহারের পর একে ফেলে দিলে তা পচে বিলুপ্ত হয়ে যায়, পরিবেশের দূষণ করে না। এছাড়া শিল্পমান,প্রক্রিয়াকরন ও খরচের কথা
বিবেচনা করলেও অন্য ফাইবারের থেকে তূলা এগিয়ে থাকে । বর্তমান সময়ে পেট্রোলিয়াম ও সিনথেটিক ফাইবার জাত
জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি,পলিমার ও ফাইবারের বাজারে পরিবর্তন আসা ইত্যাদি কারনে
নন-ওভেনে তুলার ব্যাবহারের অনেক সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।
নন-ওভেন ফেব্রিক থেকে তৈরি
পোশাকে একটি তালিকা নিচে দেয়া হলঃ-
ব্যাক্তিগত পরিষ্কার
পরিচ্ছন্নতায় ব্যাবহৃত সামগ্রীঃ
পরিষ্কারক ন্যাতা
প্রসাধনী প্যাড
টিস্যু
চিকিৎসা কাজে ব্যাবহারের কাপড়
ডাইয়াপার
মুছনি কাপড় ইত্যাদি
শিল্প ও পোশাক সামগ্রীঃ-
ফিল্টার মাধ্যম
জিও টেক্সটাইল
প্রতিকূল পরিবেশে রক্ষাকারী
বস্ত্র
তেল ও রসায়ন শোষণক্ষম ফেব্রিক
প্যাকেজিং এর কাজে ব্যাবহৃত
কাপড়
মেডিক্যাল গাউন
বাড়ি সাজানোর উপকরণ
বেডিং,ম্যাট্রেস প্যাড,ওয়াল ম্যাট ইত্যাদি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন