স্বাগতম

মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা |পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাভাষী মানুষের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই!
ব্যাবসা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ব্যাবসা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে Proforma Invoice এবং LC (Proforma Invoice & LC in International Business)



আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ক্রেতা ও বিক্রেতার কেউ কাউকে চেনেন না ।দেখা করে লেনদেন করাও কখনো সম্ভব হয় না।  তাই ব্যাবসার ক্ষেত্রে কিছু ঝুঁকি বা অনিশ্চয়তা থেকেই যায়।

যেমন যদি বাইয়ার সাপ্লাইয়ারকে মুল্য মিটিয়ে দিলেন কিন্তু সাপ্লাইয়ার শিপমেন্ট করলেন না।
আবার যদি সাপ্লাইয়ার শিপমেন্ট করে দিলেন অথচ বাইয়ার অর্থ পরিশোধ করলেন না । 

জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্রেন্ড ইন্ডিটেক্স( Popular fashion brand Inditex)



Inditex একটি বহুজাতিক পোশাক কোম্পানি। বিশ্বব্যাপী বাজারে ৭ হাজার ২০০ টি স্টোর পরিচালনা করে বিশ্বের বৃহত্তম ফ্যাশন গ্রুপ ইন্ডিটেক্স । কোম্পানির ফ্ল্যাগশিপ স্টোর Zara, এছাড়া Zara Home, Massimo Dutti, Bershka, Oysho, Pull and Bear, Stradivarius এবং Uterqüe স্টোর গুলো Inditex এর মালিকানাধীন। অধিকাংশ দোকান কর্পোরেট মালিকানাধীন হয়, কর্পোরেট বৈশিষ্ট্যে স্টোর কোন বিদেশীরা এর মালিক হতে পারে না।

সফল মার্চেন্ডাইজার হতে প্রয়োজনীয় গুণাবলী(The necessary qualities to be successful merchandiser)



গার্মেন্টস সেক্টরে ক্রেতা এবং প্রস্তুতকারকের মধ্যে যিনি সেতু বা মিডল ম্যানের মতো কাজ করে তিনিই হচ্ছেন মার্চেন্ডাইজার । মোট কথা পণ্যটি তৈরি করতে তিনিই প্রধান দায়িত্বশীল ব্যক্তি। মার্চেন্ডাইজার হতে একজনকে  বিশ্বজুড়ে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কে ভাল জ্ঞান রাখতে হবে । মার্চেন্ডাইজার কোন ডিজাইনার নন কিন্তু অনুধাবনের দায়িক্তে তিনিই থাকেন ,যিনি কোন ডিজাইন টি মার্কেটে চলবে আর কোনটি চলবে না তার সিদ্ধান্ত নেন । এজন্য মার্চেন্ডাইজারকে প্রতিটি পণ্যের স্টাইলের ভিতরে ঢুকতে হয় এবং বিশ্লেষণ করতে হয় । আবার মাথায় রাখতে হয় স্টাইলিং এর খরচের দিকেও ।  

টেক্সটাইল উদ্যোক্তা হওয়ার উপায়(Way To Be A Textile Entrepreneur)


ইদানীং টেক্সটাইল গ্রাজুয়েশন করা ছাত্রদের মুখে একটা কথা খুব শোনা যায় , লেখাপড়া শেষ করে চাকরী করব না, ছোট হলেও নিজের ব্যাবসা শুরু করব । অবশ্যই এই ভাবনা সাধুবাদ পাওয়ার দাবী রাখে । কিন্তু তারা হয়ত জানে না অধিকাংশ ছোট ব্যবসা কোম্পানি ব্যার্থ হয় শুধুমাত্র অভিজ্ঞতা ঘাটতির কারনে । তাই নিজের ব্যাবসা শুরু করার আগে যতটা সম্ভব অভিজ্ঞতা নেয়াটা অবশ্য জরুরী । বড় এবং সফল ছোট দুই কোম্পানিতে কাজ করে বুঝতে হবে তারা কিভাবে ব্যবসা চালাচ্ছে । অনেকের ধারণা অন্যের কাজ করার চেয়ে নিজের কাজ করার মাঝে বেশি আনন্দ। আসলে স্ব-শৃঙ্খল মানুষের জন্য নিজের কাজ করাই বেশি কঠিন ।

জেনে নিন আমদানি এলসি'র জন্য ব্যাংক এ কিভাবে আবেদন করতে হয়(How To Apply For Import L/C )


রপ্তানিকারক এবং আমদানিকারক বিক্রয় চুক্তিতে উপনিত হবে এবং এল সি ব্যাবহার করে অর্থ মূল্য পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেবে ।  আবেদনকারী বা আমদানিকারক এর অনুরোধে ব্যাংক কর্তিক রপ্তানিকারক/ বেনিফিসিয়ারির বরাবর এল সি ইস্যু করাকে এলসি খোলা L/C openning  বলে  । যে ব্যাংকের মাধ্যমে এল সি খোলা হয় তাকে  L/C opening Bank বা Issuing Bank বলে ।

আমদানিকারক তার পছন্দের বা মনোনীত ব্যংককে অনুরোধ করে, সমস্ত শর্ত মেনে বাইয়ারের পক্ষ থেকে এল সি প্রদান করতে । অর্থাৎ দুপক্ষের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবার পর আমদানিকারক মনোনিত ব্যাংকের পক্ষে পণ্য পরিবহণের ঝুঁকি গ্রহণ করে নৌ বীমা পলিসি সংগ্রহ করবে এবং সরবারহকারীকে পণ্যমূল্য পরিশোধের নিশ্চয়তা দিয়ে তার অনুকূলে ও তার মনোনীত স্থানীয় ব্যাংকে এলসি খোলার আবেদন করবে। যাকে এডভাইসিং ব্যাংক বলা হয় ।

জেনে নিন আমদানি-রপ্তানির জন্য কিভাবে এল সি খুলতে হয়(How To Open L/C For Export-Import)

জেনে নিন আমদানি-রপ্তানির জন্য কিভাবে এল সি খুলতে হয়(How To Open L/C For Export-Import)

লেটার অব ক্রেডিট বা এল সিঃ
রপ্তানিকারকের রপ্তানি করা পণ্যের মুল্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তার লক্ষে আমদানিকারকের পক্ষ নিয়ে ব্যংক যে প্রত্যয়ন পত্র দেয় তাকেই এল সি বলা হয় । ব্যাংক আমদানিকারকের পক্ষে রপ্তানিকারককে এই মর্মে নিশ্চয়তা প্রদান করে যে , আমদানিকারক কোন কারনে পণ্যের মূল্য পরিশোদ করতে অস্বীকার করলে উক্ত ব্যাংক রপ্তানিকারককে সেই পণ্যের মূল্য পরিশোদ করবে বা করতে বাধ্য থাকবে । এল সির মাধ্যমে রপ্তানিকারক যেমন তার পণ্যের মুল্য প্রাপ্তি সম্পর্কে নিশ্চিত হয় তেমনি আমদানীকারক এল সি’র বিপরিতে ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধাও পায় । ব্যাংকের মাধ্যমে পণ্য প্রাপ্তির পর রপ্তানিকারক মুল্য পরিশোদ করার সুযোগ পায় ।

জেনে নিন স্টকলট পন্য ব্যাবসায় কি কি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়(A Complete Guidance For Stock Lot Business)

জেনে নিন স্টকলট পন্য ব্যাবসায় কি কি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়(A Complete Guidance For Stock Lot Business)

(অতিথি পোস্ট)
স্টক পন্য কেনা বেচার ক্ষত্রে কিছু বিষয় লক্ষ রাখতে হবেঃ-

১. মালামাল এর পেমেন্ট এর ক্ষত্রে Bank LC মাধ্যমে করুন, বা Back to Back LC. তে কাজ করুন। লোকাল হলে হেন্ড ক্যাশ এ পেমেন্ট নিন।

২. বায়ার পেয়ে আবেগী হওয়া যাবে না, ভালো করে তার ব্যাকগ্রাউন্ড জেনে নিন। কোথা থেকে নেয়, কি পরিমান নেয়, কাদের সাথে লেনদেন করে তাদের খোজ খবর নিন।

৩. অনেকেই প্রডাকশন এর নাম করে স্যাম্পল করিয়ে বিদায় নেয়, এদের কাছ থেকে দুরে থাকুন।

বাংলাদেশের ডেনিম ব্যাবসার যাবতীয় (Entire Information About Bangladesh’s Denim Business)

ডেনিম হচ্ছে টেক্সটাইলের ভাষায় টুয়াইল কেন্দ্রিক ফেব্রিক যা প্রধানত জিন্স প্যান্ট তৈরিতে ব্যাবহার করা হয় । ডেনিমে ৬০ থেকে ১০০% তুলা ফাইবার থাকে ।

আমাদের গ্রহ “পৃথিবীর” একটা অফুরন্ত ভাণ্ডারের নাম “এশিয়া” ।এশিয়া পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সরবরাহক অঞ্চল ।সব ধরণের সেক্টরে এ অঞ্চল সিংহভাগের রপ্তানিকারক ।হিসাবে দেখা গেছে যে কোন পণ্যের দুই তৃতীয়াংশের যোগান এশিয়া মহাদেশ থেকেই আসে।

গার্মেন্টস শিল্পকে কেন বাইং হাউজের উপড় নির্ভর করতে হয় (The Relation or Necessity Between Garments Industry & Buying House)

গার্মেন্টস শিল্পকে কেন বাইং হাউজের উপড় নির্ভর করতে হয় (The Relation or Necessity Between Garments Industry & Buying House)
গার্মেন্টস শিল্প এ বং বাইং হাউজের মধ্যে সম্পর্ক

সুচারু ম্যানেজমেন্টের গুরুত্ব সবখানে তা প্রোডাকশনই হোক ,কিংবা সেলস ডিপার্টমেন্ট বা মার্কেটিং ।বর্তমানে মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের উপড় ম্যানেজমেন্টের গুরুত্ব সর্বাধিক । মার্কেট কনসেপ্ট একটি দর্শনের মত যাকে ঠিকঠাক ভাবে কখনই সংজ্ঞায়িত করা যায় না । প্রকৃত অর্থে এটি আসলে একটা আচরণ বা মতামতের সমষ্টি যেটা সম্পূর্ণ ম্যানেজমেন্ট প্রক্রিয়াকে কে নিয়ন্ত্রণে রাখে ।

বর্তমানের বাংলাদেশের রপ্তানি খাতেরর  সিংহভাগ আয় আসছে আর এম জি বা রেডি মেইড গার্মেন্টস শিল্প থেকে ।

টেক্সটাইল শিল্পের ১৪ টি চমকপ্রদ পরিসংখ্যান( 14 Astonishing Statistics About World Textile Industry)



পৃথিবীর জনসংখ্যা বর্তমানে প্রায় সাতশ কোটির উপড়ে।প্রতি সেগেন্ডে যদি একজন করে মানুষ গোনা যায় তাহলে সাতশ কোটি মানুষকে গুনতে লেগে যাবে ৩২ বছর।এ সাতশ কোটি মানুষের প্রত্যেকের যদি গড়ে নুন্যতম একটি শার্ট,একটি জ্যাকেট ও এক জোড়া প্যান্ট থাকে তাহলে মোট পোশাকের  সংখ্যা দাঁড়ায় ২১ শো কোটি।  ২১ শো কোটি পোশাক গণনা করতে সময় লাগবে প্রায় ৬৭২ বছর।তবে এটা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে খুব কম মানুষই এই মাত্র তিনটি পোশাকেই জীবনযাপন করেন।তার মানে আসল সংখ্যাটা ২১ কোটিরও অনেক বেশি হবে।যেহেতু বস্ত্র মানুষের মৌলিক চাহিদার তৃতীয়

বাচ্চাদের পোশাকের ধরণ,স্টাইল ও বাজারজাতকরণ(Categories Style & Marketing of Children’s wear)

 


বড়দের পোশাকের তুলনায় বাচ্চাদের পোশাকের প্রস্তুতি ও বাজারজাতকরণ অনেক কঠিন।কারন অন্যসব পোশাকের চেয়ে এখানে চাহিদার পোশাকের আকার খুব পরিবর্তিত হয় । যেকারনে বড় বড় শহরগুলোতে বাচ্চাদের পোশাকের জন্য আলাদা স্থান বা বাজার নির্ধারণ করে দেয়া হয়।এছাড়া বাচ্চাদের পোশাক কেনার সময় বাবা মা খুব সচেতনভাবেই অল্প খরচের পথ বেঁছে নেন কেননা তারা জানেন

 

 

দর্শক সংখ্যা

বিজ্ঞাপন

যোগাযোগ Amitptec6th@gmail.com

সতর্কবার্তা

বিনা অনুমতিতে টেক্সটাইল ম্যানিয়ার - কন্টেন্ট ব্যাবহার করা আইনগত অপরাধ,যেকোন ধরণের কপি পেস্ট কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং কপিরাইট আইনে বিচারযোগ্য !